অর্থনীতি

৬ মাসেও বিপণন করা সম্ভব হয়নি আমদানি করা ফার্নেস অয়েল

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ৬ মাসেও বিপণন করা সম্ভব হয়নি দেশে প্রথমবারের মতো আমদানি করা পরিবেশবান্ধব লো-সালফারযুক্ত ফার্নেস অয়েল।

এতে প্রায় ৬০ কোটি টাকার ফার্নেস অয়েল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশন ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো ফার্নেস অয়েল আমদানি করে।

পরিবেশ বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখে সমুদ্রগামী জাহাজে সামান্য মাত্রার সালফারযুক্ত হেভি ফার্নেস অয়েল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অরগানাইজেশন।

গত বছরের ১৪ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি প্রায় ১৫ হাজার টন শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ মাত্রার ফার্নেস অয়েল আমদানি করে। ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অগানাইজশেন- আইএমও ০.৫ শতাংশ মাত্রার সালফারযুক্ত তেল ব্যবহারের জন্য ৭ বছর আগে সদস্য দেশগুলোকে নির্দেশনা দেয়। যা বিশ্বব্যাপী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

বাংলাদেশ পেট্টোলিয়াম করপোরেশনের পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, করযুক্ত-করমুক্ত একটা সমস্যা ছিল এটা কেটে গেছে। মিটিং করে এটার আর সমস্যা আছে কিনা শেষ করে দিব। তেল এখনও ভালো আছে নষ্ট হয়নি।

দেশে সমুদ্র বন্দরগুলোকে নো বাঙ্কারিং পোর্ট থেকে রক্ষা ও জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে যমুনা, পদ্মা ও মেঘনার সাথে বাঙ্কার সাপ্লাইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর চুক্তি হয়।  ২০১৪ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাঙ্কার নীতিমালায় রপ্তানি করা তেল শুল্কমুক্ত ঘোষণা করা হলেও নানা জটিলতায় তা আটকে যায়।

অবশেষে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিদেশগামী জাহাজে জ্বালানি সরবরাহ শুল্ক কর আরোপ করা হবে না বলে পরিপত্র জারি করে।

সম্পর্কিত নিউজ